introduction

Basically we can classified the violence into different categories without the help of public media, special investigation team & paid institutional experts or authority with our COMMON SENSE , visibilities, observation of visible or hidden interest of people of our zone. We can easily identify whether the violence arrange by an individual against any individual which we call criminal offence, an individual against a small group is antisocial violence, a small group against a large group is an antisocial movement, a large group against a small group is a communal violence (civil war), a large group against a large group is civil war (communal violence).

Monday, April 28, 2025

শহীদ



#ধর্ম আর #রাজনীতি এই দুইয়ের মধ্যে একটা সীমারেখা বজায় রাখতে না পারলে, সে জাতির কপালে দুঃখের শেষ নেই। মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র গুলো এই সীমা রেখা বজায় রাখতে পারছেনা। আজ পৃথিবীর সর্বত্র #মুসলিম রা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। 

মুসলিমরা তাদের আধ্যাত্মিক জীবনে উপাসনার প্রয়োজনে #মসজিদ প্রতিষ্ঠানে দিনে কমবেশি সঙ্গবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করে। বিশ্বব্যাপী ইসলামে আধ্যাত্মিক অংশগ্রহণের নিরবিচ্ছিন্ন সর্বজনীন সুবিধা তাদের এই বিশ্বাসকে জনপ্রিয়তা দিয়েছিল ।  তাদের বেশিরভাগরই একটা আধ্যাত্মিক জীবন আছে। #সিভিল #রাশনাল লাইফ থেকে যা কিছুটা আলাদা। ঘটমান রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপে যদি কোন সমস্যা হয়, তখন এই আধ্যাত্মিক সঙ্ঘবদ্ধ নিষ্পাপ অপেক্ষাকৃত কম বোধসম্পন্ন জনসমষ্টিকে #আলেম সম্প্রদায় তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিবাদের অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করতে সুযোগ নেয়। ভীষণ অদ্ভুত লাগে কোন এলাকার কিছু জনগোষ্ঠী যখন তাদের পরিশ্রমের অর্থ দিয়ে একটি আধ্যাত্মিক উন্নয়নের মঞ্চ তৈরি করে বা আধ্যাত্মিক আলোচনার আয়োজন করে, যেটাকে  ধর্মীয় জলসা বলে মুসলিমরা প্রচার করে, সেখানে উঠে একজন মুসলিম গুরু বা আলেম বা #মাওলানা অবিরাম রাজনৈতিক আলোচনা শুরু করে অথচ রাজনৈতিক ব্যাপারে সে নির্বোধ। আধ্যাত্বিক বা স্পিরিচুয়াল মঞ্চে #মন-#প্রাণ #আত্মা #রূহ #শান্তি চিন্তন মনন এইসব নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। আসল কথা হল এই সমস্ত গুড় তত্ত্ব আলোচনা করতে গেলে যে #জ্ঞান, যে পড়াশোনা, যে আলো দরকার তাদের মধ্যে সেই আলো নেই। তারা এই শিক্ষায় অশিক্ষিত। ফলে বিপুল আয়তন জনগোষ্ঠীকে তারা বিভ্রান্ত করছে। তাদের বক্তব্যের মধ্যে #শহীদ হওয়াকে বড় করে দেখান , অথচ মুসলিমরা আবার যখন পৃথিবীর কোন দেশে নিদারুণ অত্যাচারে দাঙ্গায় মুসলিমদের মৃত্যু হয় তখন তারা হা-হুতাশ করে। সুতরাং হা-হুতাশ না করে, এই সমস্ত অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যকে বন্ধ করলেই কিন্তু জনগোষ্ঠীর মধ্যে সঠিক চিন্তা, সঠিক দিক, সঠিক মার্গ চলে আসে। মানুষকে শহীদ হতে উদ্বুদ্ধ করা একপ্রকার 'পরের ছেলে পরমানন্দ, যত উচ্ছন্নে যায় তত আনন্দ'    মনোভাব আর কি। যারা শহীদদের কথা বলে এবং শহীদদের গল্প শোনায় তারা নিজেরা শহীদ হয় না; সুতরাং শহীদের গল্প যখনি বলবে সেখানেই যবনিকা ফেলতে হবে। জাতিকে শহীদ হতে উদ্বুদ্ধ করা, সে যে কোন প্রয়োজনেই হোক বিশ্ব মানবতাবাদের এক অপমান। আমরা #ইংল্যান্ড এর কোন #সৈনিক বা সাধারণ মানুষকে কখনোই শহীদ হতে দেখতে পাই না। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় তারা পাঠক্রম বা পাঠ্যসূচিতে এই ধরনের শহীদ হওয়াতে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়াস রাখেননা। জীবনকে আরো উন্নত কিভাবে করা যায়? জীবনের #আনন্দ, জীবনের শান্তি, জীবনের সৃষ্টিশীলতা, উদযাপন এগুলোই মানুষের মধ্যে বেশি চালাতে হবে।

যেটা ছিল তাদের আধ্যাত্বিক প্রয়োজনে সঙ্গবদ্ধ হওয়া, সেটা তাদের রাজনৈতিক অবস্থান হয়ে যায়। ফলে তাদের আধ্যাত্মিক জীবনটাও ব্যর্থ হয়, আর আধ্যাত্মিক আয়োজনকে যখন তারা রাজনৈতিক প্রয়োজনের যোগান হিসেবে ব্যবহার করে, তখন তারা সমালোচিত হয় নিন্দিত হয় । পারদপক্ষে তারা তাদের #ইসলাম কেও কাঠগড়ায় তোলে। আবার সিভিল মুসলমানরা এই প্রসঙ্গে  জোর গলায় বলবে যে, ইসলাম এগুলোর অনুমোদন করে না। সেটাও কিছুটা তার সামাজিক জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। ইসলাম কখনোই হিংসার অনুমোদন করে না। #১৯৯৮ সাল থেকে এই #ট্রেন্ডস এ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলিম নিধন চলছে। সেটা আমরা দেখতে পেয়েছিলাম আফগানিস্তানের মাটি দখল করার সময় ।পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের মশলা এবং আফিম; যা থেকে #মরফিন ইঞ্জেকশন তৈরি হয় , সেটা আফগানিস্তানের মাটিতেই হয়। আর আফগানিস্তান দখলের জন্য সেখানে কিছু ছিন্নমূল মানুষকে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব স্বরূপ বা রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিস্বরূপ উপসর্গ নির্ধারণ করানো হয়। এটা এক ধরনের স্ট্রাটেজি, সম্পূর্ণ রাষ্ট্রের মধ্য থেকে মুষ্টিমেয় কিছু মানব গোষ্ঠী যা গুপ্তচর দের দ্বারা বখে  যাওয়া দুর্বল চিত্তের বর্বর মানুষ বৈ আর কিছুই নয়। তাদের আচরণকে রাষ্ট্রীয় আচরণ প্রতিপন্ন করিয়ে বিরোধিতার পরিবেশ তৈরি করে চরম হিংসার রূপদান করা। বিশ্বব্যাপী পরপর প্রতিটি ঘটনাতে ঐ মানবগোষ্ঠী যে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে তারা কোনভাবেই সমৃদ্ধ বা উপকৃত হতে পারেনি। বরং প্রারম্ভিকভাবে যারা আঘাতকে বরণ করেছে তারাই তাদের উপযোগিতা বাড়িয়ে নিয়েছে।পক্ষান্তরে এটা ভাবতে হবে যে মুসলিমদের অভিভাবক কে ? মুসলিমদের অভিভাবক কখনোই কোনো নির্দিষ্ট #আরব দেশ নয়। আরবের প্রতি #লৌকিক শ্রদ্ধা রেখেই বলছি #ইন্ডিয়া যেমন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হিন্দুদের নিরাপত্তার জন্য দায়বদ্ধ আরবের সেই দায়বদ্ধতা কোনদিনই ছিল না থাকবে না। কেননা #ইসলাম স্থান কাল পাত্র থেকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। ইসলাম এর ধর্মীয় আচার গুলো #লোকসংস্কৃতি (#Folk culture) নিরপেক্ষ। পাশাপাশি #হিন্দু ধর্ম এর আচার গুলো লোকসংস্কৃতি (Folk Culture) উপর নির্ভরশীল। স্থান-কাল-পাত্রের উপর নির্ভরশীল। হজের প্রয়োজনে ইসলাম সেন্ট্রালাইজ। #হজ মানেই লক্ষ হাজার কোটি টাকার লেনদেন। এই ব্যাপক  আর্থিক সঙ্গতি আরবের ফেভারে আছে আর এই যোগান তারা অব্যাহত রাখতে ব্যস্ত। এক বছরের #হজ  #ট্যুরিজম উপার্জন দিয়ে, তাদের দেশ দশ বছর কোন কাজ না করেই চলে যায়। স্থান কাল পাত্র নিরপেক্ষ বলেই ইসলামের  বা মুসলিমদের নিরাপত্তার জন্য আরবের কোন দায় বর্তায় না। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে এটা মুসলিমদের পক্ষে মঙ্গল, কেননা যদি দায় বর্তাত ;  তাহলে পৃথিবীর সব দেশেই মুসলিম অস্তিত্ব আরব #সাম্রাজ্যবাদ সমতুল্য হতো। এ প্রসঙ্গে একটা প্রাসঙ্গিক বক্তব্য না বল্লে নয়, তা হল কিছু কিছু রাষ্ট্র অবিবেচকের মত তাদের #রাষ্ট্রীয়_ধর্ম ইসলাম ঘোষণা করে বরং মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র গুলোই #ধর্মনিরপেক্ষ #secular রাষ্ট্র হওয়ার পক্ষেই সাওয়াল করা উচিৎ। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়াতে তাদের  মোল্লা তন্ত্রের সঙ্গে যুঝতে হচ্ছে। রাষ্ট্রনেতা আর ধর্মনেতা এক হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। মুসলিম রাষ্ট্রের ধর্মনেতারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব হস্তগত করার জন্য ইসলামিক #লিটমাস দিয়ে রাষ্ট্রনেতা কে মাপার জন্য জনগণকে উস্কে দেন। যেটা আমরা ভয়ংকর ভাবে #ইরাক এর পতনের সময় দেখতে পেয়েছিলাম। একজন সফল রাষ্ট্রনেতাকে তার নিজের রাষ্ট্রের মধ্যে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার জন্য #সাদ্দাম কে ইসলামিক লিটমাস দিয়ে মাপার জন্য জনগণকে উসকে দিয়েছিল। সমগ্র জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় চেতনা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বোধ তৈরি করা দুরূহ ব্যাপার। রাষ্ট্রগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ করা বরং অধিকতর সুবিধাজনক।   রাষ্ট্রগুলো তাদের পরিচালন আদর্শে ধর্মনিরপেক্ষতা অবলম্বন করবে। রাষ্ট্রীয় পরিচয় #ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখবে। নিজেদেরকে #ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করবে। আর #মুসলিম সমাজ যত বেশি #ডিসেন্ট্রালাইজ, বিচ্ছিন্ন হবে ততই তারা স্বাচ্ছন্দ, স্বতন্ত্র, আর আনন্দময় জীবন উপভোগ করবে। #Centralisation, #decentralization are by default within  the #Islamic #religion by their #rituals but when centralization imposed only it will transform people as #slaver.....#mdnjs

মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব বা #নেতৃত্ব যে, ভুলটা প্রতিনিয়ত করে বসছে সেটা হচ্ছে তারা রাষ্ট্রীয় ঐক্যতা, আর ধর্মীয় ঐক্যতা এক করে ফেলছে। #একতা #ঐক্যতা সব ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর। স্বভাবতই ধর্মীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের রাষ্ট্রীয় সুবিন্যস্ত মঞ্চ যখন ধর্মের কাছে বা ধর্মীয় নেতৃত্বের কাছে আত্মসমর্পিত করে দেন তা দৃশ্যত ভয়ঙ্কর। পক্ষান্তরে #ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হয়ে যদি রাষ্ট্রশক্তি বা রাষ্ট্রনেতা বা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদাধিকারী ধর্মশক্তির কাছে মাথা নত করে, যেমন একটি রাষ্ট্রের #সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি একজন ধর্মগুরুর কাছে মাথা নত করছেন। 

 
 ব্যক্তিগত পরিসরে তিনি এই ধরনের অসঙ্গতি বা প্রতিষ্ঠান বিরোধী আচরণ করলেও করতে পারেন কিন্তু সেটাকে ফলাও করে মিডিয়ার মাধ্যমে এবং রাষ্ট্রীয় প্রচার যন্ত্রকে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়াস বড়ই ভয়ংকর।  রাষ্ট্রের #প্রধানমন্ত্রী ধর্ম গুরুর কাছে মাথা নত করছেন, বড়ই মর্মান্তিক এবং লজ্জার বিষয়।

ধর্ম আর রাজনীতির এই বিবাদ বহুদিনের। জনগণ রাষ্ট্রভাবনা জন্ম দিয়েছিল, এই চিরাচরিত  বিবাদকে উপেক্ষা করে ; রাষ্ট্রশক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য । #ম্যানেজেরিয়াল_ডেমোক্রেসি ক্রমশ প্রশাসনিক ব্যবস্থা কে এই অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই সংক্রান্ত সংশোধন সব দেশেই সম্ভব #গণপ্রতিনিধিত্ব  যে, আইন তার আমেন্ডমেন্ট করেই সম্ভব। গণপ্রতিনিধিত্ব আইনের রাজনৈতিক দল সমূহের নিবন্ধনের যে, বৈশিষ্ট্য গুলো আছে সেখানে এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য দলগুলোকে সম্পূর্ণরূপে রাষ্ট্রীয়ভাবে #বয়কট করা এবং গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে ওই সমস্ত নিবন্ধন গুলোকে বাতিল করে দেওয়া।
 মুসলিমদের ধর্মীয় নিরাপত্তা স্থানীয় সঙ্গবদ্ধ মুসলিম সদাচার এর উপর নির্ভরশীল । ইসলামের ডিসেন্ট্রালাইজ প্রতিষ্ঠান #মসজিদ ; মসজিদকেন্দ্রিক মুসলমানদের সচেতন হয়ে আলেম সম্প্রদায় এবং মাওলানাদের অপ্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কে অবজ্ঞা করতে হবে বা বন্ধ করতে হবে। তবেই পৃথিবীতে গাজা আফগানিস্তান বা মায়ানমারের সব তৈরি হবে না।

অধুনা #ভারতবর্ষ র পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে যার বিষয়বস্তু  #ওয়াকফ আইন। এই বিল পাস হয়েছে পার্লামেন্টে সুতরাং এর সংশোধন সংবর্ধন যা কিছু সম্ভব পার্লামেন্টে করতে হবে।  পার্লামেন্টের যে সমস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত #MP আছে তাদের ইচ্ছাতেই বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। লোকসভা নির্বাচনের সময় গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে, যে আমি যাকে পার্লামেন্টে পাঠাবো তার পার্লামেন্টে যাওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা?  গণতন্ত্রের শেষ কথা বলবে #ব্যালট বক্স। এলাকায় নির্বাচনের সময় লাঠি হাতে লেঠেল হবো, না নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে শান্তিপূর্ণ দেশ গঠন করব। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে আমরা পার্লামেন্টে নিরপেক্ষ দায়িত্বশীল মানুষ পাঠাতে পারি।

সুতরাং এই আইন সংক্রান্ত ব্যাপারে বিরোধিতা করতে হলে নিজের এলাকায় #রাজনৈতিক সমাবেশ করুন ।রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে  আগিয়ে চলুন। প্রয়োজনে নতুন নতুন রাজনৈতিক দল দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক জন গণ চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে গঠন করতে হবে। পক্ষান্তরে বলে রাখা ভালো মুসলিম দের প্রত্যেকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একটি সামাজিক নিরাপত্তা আছে, শ্রদ্ধা আছে যে, মানুষেরা এখানে সমবেত হয়ে ঈশ্বরের উপাসনা করেন , পবিত্রতা অর্জন করেন। তাদের প্রার্থনায় ঈশ্বর সন্তুষ্ট হয়ে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ সাধন করেন। বর্তমান ভারতীয় রাজনৈতিক দলগুলি আইসোলেশন এবং আইডেন্টিটি পলিটিক্স এর উপর কাজ করছে। ইসলাম তার সমান অধিকার এবং মানবাধিকার এর জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ভেদাভেদহীন মুসলমান সকলেই এক। এই মৌলিক মানবাধিকার আইডেন্টিটি কেই, তাদেরকে ধ্বংস করার কাজে লাগানো হচ্ছে। যেহেতু জন্মগত শ্রেণি বৈষম্য ইসলামে নেই, সেই কারণে কোন মুসলিম কোন অপরাধ করলে সেটা সমষ্টির ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।এক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত একটি গল্প অবতারণা করার প্রয়োজন আছে। 
মুসা নামের ব্যক্তি তার সমসাময়িক সময়ে হাতের লাঠি ফেলে দিতেন এবং সেটি জীবন্ত সাপে পরিণত হতো। এই গল্পটি সচরাচর যারা ইসলাম ধর্ম প্রচার করে থাকেন তারা শুনিয়ে থাকেন। তো এরকমই সেই মুসার সময়কার রাজা তার এই #আজগুবি শক্তির বিরোধিতার জন্য দেশের সর্বোচ্চ মানের জাদুকরদের তার বিরুদ্ধে আমন্ত্রিত করেন। পরীক্ষার দিন রাজসভাতে জাদুকরেরা তাদের বৈচিত্র্যময় সাপগুলোকে যখন ফ্লোরে একের পর এক ছাড়তে শুরু করলেন। সবার শেষে মুসা যখন তার লাঠি ছাড়লেন , তখন সেই লাঠি সাপ হয়ে সব সাপগুলোকে গিলে নিলো।  সমস্ত জাদুকরেরা তার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।      
এই বিষয়টি একটি #রূপক ধর্মী গল্প। এখানে সাপ হল আইডিয়া মাত্র। যেমন অযৌক্তিক আইডিয়াগুলো যৌক্তিক আইডিয়ার কাছে ম্রিয়মাণ ধ্বংস এবং অবলুপ্ত হয়। তেমনি মুসার আইডিয়ার কাছে সমস্ত আইডিয়া  চরিত্র হারিয়ে ফেলে। বিশ্বব্যাপী মুসলিমবিরোধী যে #সন্ত্রাস চলছে, সেই সন্ত্রাসকে ধর্ম দিয়ে নয়, রাজনীতি দিয়ে পর্যুদস্ত করা সম্ভব। মানুষ সে পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক, তাদের মধ্যে শ্রমজীবী অবশ্যই থাকতে হবে। আর এই শ্রমজীবীদের উপর নির্ভরশীল মানুষ সবসময়ই প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রম উৎপাদন, রূপান্তর এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। ভালো করে দেখলে দেখা যাবে কিছু কিছু রাষ্ট্র তাদের অবস্থানগত সুবিধার জন্য তাদের শ্রমে অংশগ্রহণ করতে হয় না। এরকম রাষ্ট্র হলো আরব এবং অকৃষি প্রধান রাষ্ট্রগুলো। তাই বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক আবেগ বিভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং বিচ্ছিন্ন হয়ে যারা উৎপাদন রূপান্তর এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে শ্রম দিয়ে পৃথিবীতে কাজ করছেন তাদের অবশ্যই শ্রম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করা উচিত। এরকম সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ হলো "মজদুর পার্টি", "ওমেন ফেডারেল ফন্ট"। যা প্রতিটি রাষ্ট্রেই গঠন হতে পারে এবং তারা রাষ্ট্রের কান্ডারী হয়ে আন্তর্জাতিক কনভেনশনের মাধ্যমে সমমুল্যের অর্থ ব্যবস্থা চালু করতে পারে।

সুতরাং এই প্রতিষ্ঠানিক পরিচিতি কে রাজনৈতিক বিরোধীতায় নিয়ে যাওয়া মানে #মসজিদ প্রতিষ্ঠানগুলোকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেওয়া। আর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শাসক দলকে সহযোগিতা করা  যে, আপামর মানব সমাজের মধ্যে একটা গোষ্ঠী  বিরোধী। সুতরাং ওই গোষ্ঠী ব্যতিরেক সমস্ত মানুষই শাসকের পক্ষে।

#নাসরুজ্জামান
#nasrujjaman